সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি কমে যাচ্ছে, কারণ কী

মহাবিশ্বের বুকে আপন অক্ষের ওপর পৃথিবীর অবিরাম ঘূর্ণনই আমাদের দিন ও রাতের চক্র নির্ধারণ করে। কিন্তু মানুষের তৈরি পরিবেশদূষণ আর জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কায় এবার পৃথিবীর সেই চিরচেনা ঘূর্ণন গতি ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাওয়ার কারণে পৃথিবীর দিনের দৈর্ঘ্য আগের চেয়ে ধীরে ধীরে বড় হয়ে যাচ্ছে, যা কোটি বছরের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা। ইউনিভার্সিটি অব ভিয়েনা এবং ইটিএইচ জুরিখের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মেরু অঞ্চলের বরফের চাদর ও হিমবাহ গলে যাওয়ার ফলে পৃথিবীর দিনগুলো ক্রমান্বয়ে দীর্ঘ হচ্ছে। দিনের এই দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির পরিমাণ অত্যন্ত সামান্য এবং এটি মিলিসেকেন্ডের ভগ্নাংশ দিয়ে পরিমাপ করা যায়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি কমে যাওয়ার বর্তমান হার গত ৩৬ লাখ বছরের ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসে সম্পূর্ণ নজিরবিহীন।

পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি কমে যাচ্ছে, কারণ কী
আরও সর্বশেষ
পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি কমে যাচ্ছে, কারণ কী

পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি কমে যাচ্ছে, কারণ কী

মহাবিশ্বের বুকে আপন অক্ষের ওপর পৃথিবীর অবিরাম ঘূর্ণনই আমাদের দিন ও রাতের চক্র নির্ধারণ করে। কিন্তু মানুষের তৈরি পরিবেশদূষণ আর জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কায় এবার পৃথিবীর সেই চিরচেনা ঘূর্ণন গতি ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাওয়ার কারণে পৃথিবীর দিনের দৈর্ঘ্য আগের চেয়ে ধীরে ধীরে বড় হয়ে যাচ্ছে, যা কোটি বছরের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা। ইউনিভার্সিটি অব ভিয়েনা এবং ইটিএইচ জুরিখের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মেরু অঞ্চলের বরফের চাদর ও হিমবাহ গলে যাওয়ার ফলে পৃথিবীর দিনগুলো ক্রমান্বয়ে দীর্ঘ হচ্ছে। দিনের এই দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির পরিমাণ অত্যন্ত সামান্য এবং এটি মিলিসেকেন্ডের ভগ্নাংশ দিয়ে পরিমাপ করা যায়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি কমে যাওয়ার বর্তমান হার গত ৩৬ লাখ বছরের ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসে সম্পূর্ণ নজিরবিহীন।

সর্বশেষ:

শিরোনাম: